১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ / ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ / ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি / রাত ৮:৫১

এক নজরে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের সাবেক কমিশনার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্য। 

রোববার (১২ই ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচন কর্তা’র দপ্তরে যান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে তার নামে মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া হয়।

১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন তিনি।

মোহাম্মদ সাহাবদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত। ১৯৭১ সালে পাবনা  জেলা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৭৪ সালে পাবনা  জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে সংঘটিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর কারা বরণ করেন তিনি।

১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) বিভাগে যোগদান করেন এবং ১৯৯৫ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাকর্মীদের সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠন এবং মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অনুসন্ধানে গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের  চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  

মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে এক পুত্র সন্তানের পিতা এবং তার স্ত্রী অধ্যাপকড. রেবেকা সুলতানা সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব ছিলেন।