২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ / ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ / ১৮ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি / রাত ২:৩৭

এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের যুবারা

প্রথম বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। রোববার (১৭ই ডিসেম্বর) ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়েছে তারা। মাহফুজুর রহমান রাব্বিদের ২৮২ রানের জবাবে মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক দল। 

প্রায় চার বছর আগেই বিশ্বজয় করে ফেলেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। কিন্তু মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা এশিয়া কাপের ট্রফিটা এত দিন ধরা দেয়নি বাংলাদেশের যুবাদের হাতে। সেই অপূর্ণতাও ঘুচে গেল দুবাইয়ে। রোববার ফাইনালে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়েই প্রথমবার এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওপেনার আশিকুর রহমানের ১২৯ রানে ভর করে ৮ উইকেটে ২৮২ রান তুলেছিল বাংলাদেশের যুবারা। রান তাড়ায় আমিরাতকে ২৪.৫ ওভারে ৮৭ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ জিতেছে ১৯৫ রানে।

তিন পেসার মারুফ মৃধা, ইকবাল হোসেন ও রোহনাত দৌলা মিলেই ধসিয়ে দেন আমিরাতের ইনিংস। শুরুটা করেন মারুফ। এই বাঁহাতি পেসার পঞ্চম ওভারে ফিরিয়ে দেন আমিরাতের ওপেনার আর্যাংশ শর্মাকে। নিজের পরের ওভারেই মারুফ আরেক ওপেনার অক্ষত রাইয়ের উইকেট উপড়ে ফেলেন।

এরপর কাজে নামেন রোহনাত। টানা তিন ওভারে এই মিডিয়াম পেসার তুলে নেন তানিশ সুরি, ইথান ডি’সুজা ও আমিরাত অধিনায়ক আইয়ান আফজাল খানকে। ২৫টি ওয়ানডে ও ২১টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা আইয়ান যখন উইকেটকিপার আশিকের ক্যাচ হলেন আমিরাতের স্কোর ৪৫/৫। আমিরাত ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট হারায় ১৫তম ওভারে । টানা দুই বলে যাযিন রাই ও আম্মার বাদামিকে তুলে নেন ইকবাল হোসেন। পেসাররা টানা ৭ উইকেট নেওয়ার পর দৃশ্যপটে আসেন এক স্পিনার। অফ স্পিনার শেখ পারভেজ হার্দিক রাইকে বোল্ড করে আমিরাতের স্কোরটাকে ৭১/৮ বানিয়ে ফেলেন।

মারুফ মৃধা আবার আক্রমণে এসে নবম উইকেটটি তুলে নেয়ার পর শেখ পারভেজ শেষ উইকেটটি তুলে নিতেই এশিয়া জয়ের আনন্দে মাতেন বাংলাদেশের যুবারা। 

আমিরাতের ইনিংসে যা একটু প্রতিরোধ গড়েন ধ্রুব পরাশর। চারে নামা ব্যাটসম্যান করেছেন সর্বোচ্চ ২৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন বর্ষণ ও মারুফ মৃধা। ইকবাল হোসেন ও পারভেজ নেন ২টি করে উইকেট।