১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ / ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ / ১০ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি / রাত ৮:৫২

বাঘারপাড়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাউৎসব “


সাঈদ ইবনে হানিফ ] — যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার মন্দির গুলোতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যেদিয়ে মহাধুমধামে উদযাপিত হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গা পূজা। গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ হতে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সাথে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মন্দির গুলোতে নিরাপদ ও শান্তি পূর্ণ পরিবেশে দুর্গাউৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে মহল্লা ভিত্তিক (হিন্দু – মুসলিম) মিলে একটি ( উদযাপন) কমিটি গঠন করা হয়। ইতিমধ্যে উপজেলার বেশ কয়েকটি মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, উৎসব মুখর শান্তি পূর্ণ পরিবেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দুর্গাউৎসব উপভোগ করছে অনেক সাধারণ মানুষ। একই সাথে বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ও পুজামন্দির গুলো পরিদর্শন করেছেন। শান্তি পূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশ দেখে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছেন আমাদের এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন সবসময় বজায় থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ অক্টোবর উপজেলার ঘোষনগর গ্রামের নাথপাড়া সর্বজনীন মন্দির , বৈরাগীপাড়া মন্দির এবং বাগডাঙ্গা গ্রামের মালোপাড়া মন্দিরে দুর্গাউৎসবের পরিবেশ পরিদর্শনে আসেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমিনুর রহমান সরদার, এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে , উপস্থিত ছিলেন, (এ এস আই) মনির হোসেন , স্থানীয় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি কালিপদ দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকরাম হোসেন, ইউপি সদস্য মোঃ আনিছুর রহমান বিপ্লব, সহ মন্দির কমিটির সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন । সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ( ইউপি সদস্য) আনিছুর রহমান বিপ্লব বলেন , তার এলাকায় সমান সংখ্যাক হিন্দু মুসলিম জনগোষ্ঠীর বসবাস । দীর্ঘ বছর ধরে তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। হিন্দু এবং মুসলিম ছেলে মেয়েরা একই সাথে খেলা ধোলা করে, একই স্কুলে লেখা পড়া করে । তাদের অভিভাবকগন ব্যাবসা বানিজ্য, চাষাবাদ, এবং একই বাজারে নিত্যদিনের উাঠাবসা করে থাকে । উভয় সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব, আচার অনুষ্ঠানে ইতিপূর্বে ও আমাদের কোন সমস্যা হয়নি।