২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ / ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ / ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি / রাত ১০:১৬

২০৯ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

তাসকিন-তাইজুলের ব্যাটে ভর করে কোনোরকমে ২০০ রানের গণ্ডি পাড়ি দিলো বাংলাদেশ। তবে খেলতে পারেনি পুরো ৫০ ওভারও; ২০৯ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। ব্যাট হাতে ভরসা হয়ে উঠতে পারেননি অভিজ্ঞ কেউ, জ্বলে উঠতে পারেননি তরুণরাও। সবার থেকে বিপরীত ছিলেন শুধু নাজমুল হোসেন শান্ত, ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন তিনি।

বুধবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা আশানুরূপ হয়নি বাংলাদেশের। হতাশ করেছেন লিটন দাস, শুরু থেকে অস্বস্তিতে থাকা লিটন আউট হন ১৫ বলে এক ছক্কায় মাত্র ৭ রান করে। তবে অধিনায়ক তামিম ইকবালের সম্মুখ নেতৃত্বে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে দলের সংগ্রহ।

কিন্তু আশা জাগিয়েও নিরাশ করেছেন তামিম, পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মার্ক উডের বলে স্ট্যাম্প ভেঙেছে তার; আউট হবার আগে করেন ৩২ বলে ২৩ রান। তবুও পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলে বাংলাদেশ। রান আরো বেশি হতে পারতো; তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ডট বল। অবিশ্বাস্যভাবে পাওয়ার প্লের ১০ ওভারেই ৪৬টি ডট বল খেলেছে বাংলাদেশ।

পরের অধ্যায়টা নাজমুল হোসেন শান্তের, চার নাম্বারে নামা মুশফিকুর রহিমের সাথে মিলে সামাল দিতে থাকেন দলের চাহিদা। দু’জনে মিলে গড়েন ৪৪ রানের জুটি। তবে অতিরিক্ত ডট বল খেলার চাপ থেকে বের হতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে আসেন মুশফিক, ৩৪ বলে ১৭ রানে আউট হন তিনি।

পাঁচ নাম্বারে সাকিব আল হাসান আসেন মাঠে। তবে তার সাথে শান্তর জুটিটা জমে ওঠেনি। ১১ রানের জুটি ভাঙে সাকিব ১২ বলে ৮ রান করে আউট হলে। ভরসার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। দলীয় রান তখন ৪ উইকেটে ১০৬ । সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহকে সাথে নিয়ে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান যোগ করেন শান্ত।

সেই জুটি ভাঙে দলীয় ১৫৯ রানে শান্ত ৫৮ আউট হলে। আউট হবার আগে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক স্পর্শ করেন শান্ত, আউট হন ৮২ বলে ৫৮ রান করে। পরের ওভারেই আর মাত্র ৩ রান যোগ করে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও, ৩১ রান করে মার্ক উডের শিকার তিনি।

ত্রাতা হতে পারেনি আফিফ-মিরাজ জুটিও। আফিফ ৯ ও মিরাজ আউট হন ৭ রান করে। দুজনের বিদায়ে দলীয় সংগ্রহ তখন ৪২.৩ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮২। তবে ৯ম উইকেট জুটিতে তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামের ২৮ বলে ২৬ রানের জুটিতে ২০০ রানের গণ্ডি পাড়ি দেয় বাংলাদেশ। ১৪ রান করে আউট হন তাসকিন আহমেদ, ১০ রান আসে তাইজুলের ব্যাটে।

ইংল্যান্ডের হয়ে দুটো করে উইকেট নেন জফরা আর্চার, মার্ক উড, আদিল রাশিদ ও মইন আলি। একটি করে উইকেট নেন উইল জ্যাকস ও ক্রিস উকস।