মালান ছাড়া পাকিস্তানে খেলার অভিজ্ঞতা নেই কারো


এম.এ.টি রিপন প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ২:০৭ অপরাহ্ন /
মালান ছাড়া পাকিস্তানে খেলার অভিজ্ঞতা নেই কারো

পাকিস্তান সফরে সফল হতে ইংল্যান্ডের জন্য বড় টোটকা হতে পারে ডেভিড মালানের অভিজ্ঞতা। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সুপার লিগে ভিন্ন দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ইংলিশ এই টপঅর্ডার ব্যাটার। ঐতিহাসিক এ লড়াই শুরুর আগে সতীর্থদের তাই যথাসাধ্য পরামর্শ দেয়ার প্রত্যাশা মালানের। অন্যদিকে, ৭ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার প্রতিদান দিতে চান প্রথমবারের মতো ডাক পাওয়া শান মাসুদ।

প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে টি-টোয়েন্টি খেলার অপেক্ষায় ইংল্যান্ড। ৭ ম্যাচের সিরিজ দিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি সারবে থ্রি লায়ন্সরা।

তবে এ দলটির অধিকাংশেরই পাকিস্তানের কন্ডিশন সম্পর্কে ন্যূনতম অভিজ্ঞতা নেই। একমাত্র ব্যতিক্রম মালান। ইংলিশ এই ব্যাটার নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরুর ভিত্তিটা গড়েন পাকিস্তান সুপার লিগে পারফর্ম করে।

২০১৬ থেকে ২০২০, ৩৫ বছর বয়সী মালান পিএসএলে খেলেছেন ভিন্ন দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে। উদ্বোধনী আসরে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি তিন ফিফটিতে রান রয়েছে পাঁচশ-র বেশি। সে অভিজ্ঞতাই এখন সতীর্থদের মাঝে বিলিয়ে দিতে চান ইংলিশ ব্যাটার।

গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেকেই এবার প্রথম এসেছেন পাকিস্তানে। অন্যরা দু-একবার এসেছেন। তাই উইকেট ও কন্ডিশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নিতে হবে। চেষ্টা করছি, যারা প্রথমবার এসেছেন, তাদের যতটা সম্ভব পরামর্শ দেয়ার। উইকেট দুটির মাঝে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। লাহোরের উইকেটটা এটার চেয়ে ভিন্ন। পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা বরাবরই চ্যালেঞ্জের। এবারের সফরটাও তেমনই হবে।’

ইংল্যান্ডের প্রথমের সঙ্গে নাম জড়িয়ে আছে শান মাসুদেরও। পাকিস্তানি ব্যাটার এই সিরিজ দিয়ে টি-টোয়েন্টি অভিষেকের অপেক্ষায়। ঘরের মাঠে ইংলিশদের বিপক্ষে সুযোগটা কাজে লাগাতে চান ৩২ বছর বয়সী এ ওপেনার।

শান মাসুদ বলেন, ‘পাকিস্তানের হয়ে খেলার স্বপ্নটা সবসময়ই ছিল। যখনই আমি কোনো সুযোগ পাব, তখনই তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। যদি আমি পারফর্ম না করি, তাহলে তা হবে আমার নিজের ভুল। যতদিন পর্যন্ত খেলব, ততদিন পর্যন্ত আমার ব্যর্থতাগুলোর দায়ভার আমারই নিতে হবে। যে দায়িত্বই দেয়া হোক না কেন, আমি আমার সেরাটা দেব।’

২০ সেপ্টেম্বর করাচিতে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি।